দুর্ঘটনায় আহত শিক্ষার্থীদের ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত শিক্ষার্থী চিকিৎসা অনুদান ২০২৬ , আবেদন করবেন যে ভাবে

In this article
Telegram Group Join our Telegram channel
Join
Spread the love

শিক্ষার্থী চিকিৎসা অনুদান ২০২৬: দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য এককালীন চিকিৎসা অনুদানের আবেদন নেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের এই সহায়তার আওতায় যোগ্য শিক্ষার্থীকে ১০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা অনুদান দেওয়া হয়।

২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর প্রান্তের জন্য অনলাইন আবেদন করা যাবে ৩১ অক্টোবর ২০২৬ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। আবেদন করতে হবে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের ই-চিকিৎসা অনুদান ব্যবস্থাপনা সিস্টেমে।

কারা শিক্ষার্থী চিকিৎসা অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারবেন

এই অনুদান সাধারণ কোনো শিক্ষাবৃত্তি নয়। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন শিক্ষার্থীদের জন্য এটি নির্ধারিত। আবেদনকারীকে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক ও সমমান পর্যায়ের শিক্ষার্থী হতে হবে এবং নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে।

সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার কারণে করা আবেদন ছাড়া অন্য ধরনের আবেদন এই কার্যক্রমে গ্রহণযোগ্য হবে না। একই চিকিৎসা মেয়াদে একজন শিক্ষার্থী একবারই চিকিৎসা অনুদানের আবেদন করতে পারবেন।

শিক্ষার্থী চিকিৎসা অনুদানের পরিমাণ কত

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের শিক্ষার্থী  চিকিৎসা অনুদানের পরিমাণ ১০,০০০ টাকা থেকে ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত। এটি এককালীন চিকিৎসা অনুদান হিসেবে দেওয়া হয়। সরকারি তথ্য অনুযায়ী এই কার্যক্রমের আওতায় মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক এবং স্নাতক ও সমমান পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা সহায়তা পেতে পারেন।

তবে আবেদন করলেই প্রত্যেক শিক্ষার্থী ৫০ হাজার টাকা পাবেন—এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। আবেদন যাচাই ও নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে যোগ্য শিক্ষার্থীদের নির্বাচন করা হয়।

২০২৬ সালের শিক্ষার্থী চিকিৎসা অনুদানের আবেদনের শেষ সময়

সেপ্টেম্বর-অক্টোবর ২০২৬ প্রান্তের চিকিৎসা অনুদানের আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ৩১ অক্টোবর ২০২৬ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট। নির্ধারিত সময়ের পর আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

শিক্ষার্থী চিকিৎসা অনুদান ২০২৬ শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত

শুধু দুর্ঘটনায় আহত হলেই এই অনুদানের জন্য আবেদন করা যাবে না। শিক্ষার্থীকে মেধাবী হিসেবে প্রমাণ করার জন্য নির্দিষ্ট ফলাফলের শর্ত পূরণ করতে হবে। সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে নিচের যোগ্যতাগুলো উল্লেখ করা হয়েছে:

  • সর্বশেষ শ্রেণিতে কমপক্ষে ৬০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে; অথবা
  • এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমান পর্যায়ে GPA 5.00-এর মধ্যে ন্যূনতম 3.50 থাকতে হবে;
  • স্নাতক ও সমমান পর্যায়ে GPA 4.00-এর মধ্যে ন্যূনতম 3.00 থাকতে হবে।

আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য শিক্ষাগত ফলাফলের প্রমাণপত্রের কপি অনলাইনে আপলোড করতে হবে।

পরিবারের আয়ের শর্ত

সাধারণ আবেদনকারীর ক্ষেত্রে বাবা, মা বা অভিভাবকের বার্ষিক আয় ২ লাখ টাকার কম হতে হবে। শিক্ষার্থী দরিদ্র পরিবারের সন্তান—এ মর্মে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানপ্রধানের প্রত্যয়নও প্রয়োজন হবে।

তবে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত দপ্তর ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডে কর্মরত কর্মচারীর সন্তানদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে পিতা, মাতা বা অভিভাবকের বেতন গ্রেড সম্পর্কিত অফিসপ্রধানের প্রত্যয়নপত্র দিতে হবে।

দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার প্রমাণ

আবেদনকারীর দুর্ঘটনা এবং গুরুতর আহত হওয়ার বিষয়টি অনুমোদিত চিকিৎসা সনদের মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে। সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী জেলা পর্যায়ে সিভিল সার্জন বা সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক এবং উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কর্তৃক গুরুতর আহত হওয়ার সমর্থনে প্রত্যয়ন করা চিকিৎসা সনদ গ্রহণযোগ্য।

আরো পড়ুনঃ 

নতুন ভোটার হতে গেলে কি কি কাগজপত্র লাগবে জানুন

চিকিৎসা অনুদানের আবেদন করার সময় এই চিকিৎসা সনদের কপি অনলাইনে আপলোড করতে হবে।

দুর্ঘটনা ও চিকিৎসার সময় নিয়ে শর্ত

আবেদনটি অবশ্যই দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন থাকার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে। সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়া এবং হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণের সময়কাল বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অর্থবছরের মধ্যে অথবা সর্বোচ্চ এক বছরের ব্যবধানে হতে হবে।

এ ছাড়া একই চিকিৎসা মেয়াদে একজন শিক্ষার্থী একবারের বেশি চিকিৎসা অনুদানের আবেদন করতে পারবেন না।

শিক্ষার্থী চিকিৎসা অনুদানের জন্য কী কী কাগজপত্র লাগবে

অনলাইনে আবেদন করার আগে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে রাখা ভালো। সরকারি বিজ্ঞপ্তি ও ই-চিকিৎসা অনুদান সিস্টেম অনুযায়ী প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নিচের তথ্য ও নথি দিতে হবে:

  • শিক্ষার্থীর ছবি
  • শিক্ষার্থীর স্বাক্ষর
  • শিক্ষার্থীর জন্মনিবন্ধন সনদের কপি
  • পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি
  • শিক্ষার্থী দরিদ্র পরিবারের সন্তান—এ মর্মে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানপ্রধানের নির্ধারিত ফরমের প্রত্যয়ন
  • দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার প্রমাণ হিসেবে নির্ধারিত ফরমে চিকিৎসকের প্রত্যয়ন
  • প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পিতা, মাতা বা অভিভাবকের কর্মরত প্রতিষ্ঠানের প্রধানের প্রত্যয়নপত্র
  • শিক্ষাগত যোগ্যতার ফলাফলের প্রমাণপত্র
  • চিকিৎসা ব্যয়-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
  • অনলাইন ব্যাংক হিসাবের প্রয়োজনীয় তথ্য

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের অনলাইন সিস্টেমেও শিক্ষার্থীর ছবি, স্বাক্ষর, জন্মনিবন্ধন, অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানপ্রধানের সুপারিশ, চিকিৎসকের সনদ এবং ব্যয়সংক্রান্ত কাগজপত্রের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

শিক্ষার্থী চিকিৎসা অনুদান ২০২৬ আবেদনের জন্য ব্যাংক হিসাবের নিয়ম

ব্যাংক হিসাবের তথ্য দেওয়ার সময় বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে। সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী শিক্ষার্থী অথবা তাঁর বাবা-মায়ের নিজস্ব অনলাইন ব্যাংক হিসাবের পূর্ণাঙ্গ তথ্য দিতে হবে। ব্যাংক হিসাবের প্রমাণ হিসেবে চেকের ভেতরের পাতা অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্টের তথ্যও অনলাইনে আপলোড করতে হবে।

সাধারণভাবে শিক্ষার্থী বা বাবা-মায়ের হিসাব ছাড়া অন্য কারও ব্যাংক হিসাব বিবেচনা করা হবে না। তবে বাবা-মায়ের মৃত্যু বা অন্য কোনো কারণে শিক্ষার্থী যদি কোনো বৈধ অভিভাবকের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হন, সে ক্ষেত্রে ওই অভিভাবকের ব্যাংক হিসাব বিবেচনা করা যেতে পারে।

ব্যাংক হিসাব নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে ভুল করা যাবে না। সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীর দেওয়া অসম্পূর্ণ বা ভুল ব্যাংক হিসাবের কারণে অনুদানের টাকা ব্যাংক থেকে বাউন্স হলে পুনরায় সেই অর্থ পাঠানো সম্ভব হবে না

রাউটিং নম্বরও প্রয়োজন হতে পারে

ই-চিকিৎসা অনুদান সিস্টেমের নির্দেশনায় ব্যাংক হিসাবের ক্ষেত্রে রাউটিং নম্বর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তাই ব্যাংকের হিসাবের তথ্য দেওয়ার সময় হিসাব নম্বরের পাশাপাশি প্রযোজ্য অন্যান্য ব্যাংকিং তথ্যও সঠিকভাবে সংগ্রহ করে রাখা উচিত।

আবেদনের হার্ডকপি জমা দিতে হবে কি?

না। এই কার্যক্রমটি সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক। সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, আবেদনপত্রের হার্ডকপি ট্রাস্টে পাঠানোর প্রয়োজন নেই। প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র অনলাইনে আপলোড করেই আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।

আরো পড়ুনঃ 

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ কি সরকারি ছুটি? ছুটির নতুন তথ্য জানুন

অনলাইনে চিকিৎসা অনুদানের আবেদন করবেন যেভাবে

আবেদন করার আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানপ্রধান এবং চিকিৎসকের কাছ থেকে নির্ধারিত ফরমে প্রয়োজনীয় প্রত্যয়ন নেওয়া উচিত। এরপর ই-চিকিৎসা অনুদান সিস্টেমে গিয়ে ধাপে ধাপে আবেদন করতে হবে।

  1. প্রথমে ই-চিকিৎসা অনুদান ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন।
  2. অ্যাকাউন্ট না থাকলে শিক্ষার্থী হিসেবে নিবন্ধন করুন।
  3. মোবাইল নম্বর যাচাই সম্পন্ন করুন।
  4. নিজের অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
  5. আবেদন করুন অপশনে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করুন।
  6. ছবি, স্বাক্ষর, জন্মনিবন্ধন, এনআইডি ও প্রয়োজনীয় প্রত্যয়নপত্র আপলোড করুন।
  7. চিকিৎসা ও দুর্ঘটনা-সংক্রান্ত তথ্য এবং প্রয়োজনীয় ব্যয়ের কাগজপত্র দিন।
  8. নিজের বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বাবা-মায়ের ব্যাংক হিসাবের সঠিক তথ্য দিন।
  9. সব তথ্য যাচাই করে আবেদন জমা দিন।
  10. পরবর্তী সময়ে ড্যাশবোর্ড থেকে আবেদনের অবস্থা দেখুন।

ই-চিকিৎসা অনুদান সিস্টেমে নিবন্ধনের সময় নাম, অভিভাবকের নাম, ১৭ সংখ্যার জন্মনিবন্ধন নম্বর, জন্মতারিখ, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর এবং পাসওয়ার্ডসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হয়।

আবেদন করার ওয়েবসাইট

চিকিৎসা অনুদানের জন্য নির্ধারিত সরকারি অনলাইন পোর্টাল হলো:

ই-চিকিৎসা অনুদান: https://www.eservice.pmeat.gov.bd/medical/

সরকারি পোর্টালে নিবন্ধন, লগইন, আবেদন এবং আবেদন-পরবর্তী অবস্থা দেখার সুবিধা রয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম খুঁজে না পেলে কী করবেন

অনলাইনে আবেদন করার সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করার তালিকায় নিজের প্রতিষ্ঠান খুঁজে না পাওয়া গেলে প্রতিষ্ঠানপ্রধান বা বিভাগীয় প্রধানকে বিষয়টি জানাতে হবে। সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ই-চিকিৎসা অনুদান ব্যবস্থাপনা সিস্টেমে যুক্ত করার জন্য প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্যাডে EIIN নম্বর ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য উল্লেখ করে ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট বরাবর আবেদন পাঠানোর ব্যবস্থা রয়েছে।

আবেদন করার পর টাকা কবে পাওয়া যায়?

আবেদন যাচাই ও নির্বাচনের প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর সাধারণত আবেদনের ৩ থেকে ৪ মাস পর চিকিৎসা অনুদানের অর্থ পাঠানো হয়। নির্বাচিত শিক্ষার্থীকে তাঁর মোবাইল নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হয়। নিজের অ্যাকাউন্টে লগইন করেও ড্যাশবোর্ড থেকে নির্বাচনের অবস্থা দেখা যায়।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এক নজরে

বিষয় তথ্য
অনুদানের ধরন এককালীন চিকিৎসা অনুদান
অনুদানের পরিমাণ ১০,০০০ থেকে ৫০,০০০ টাকা
শিক্ষাগত পর্যায় ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক ও সমমান
আবেদনের ধরন অনলাইন
সাধারণ পরিবারের আয়ের শর্ত বাবা, মা বা অভিভাবকের বার্ষিক আয় ২ লাখ টাকার কম
আবেদনের শেষ সময় ৩১ অক্টোবর ২০২৬, রাত ১১টা ৫৯ মিনিট
আবেদন পোর্টাল ই-চিকিৎসা অনুদান সিস্টেম
সম্ভাব্য অর্থ পাঠানোর সময় আবেদনের ৩–৪ মাস পর

আবেদন জমা দেওয়ার আগে যে বিষয়গুলো মিলিয়ে নেবেন

অনলাইনে আবেদন জমা দেওয়ার আগে শিক্ষার্থীর নাম, জন্মনিবন্ধন নম্বর, জন্মতারিখ এবং অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ভালোভাবে মিলিয়ে নিন। চিকিৎসা সনদে গুরুতর আহত হওয়ার বিষয়টি যথাযথভাবে প্রত্যয়ন করা হয়েছে কি না সেটিও দেখে নেওয়া দরকার।

সবচেয়ে বেশি সতর্কতা প্রয়োজন ব্যাংক হিসাবের তথ্যের ক্ষেত্রে। হিসাব নম্বর, ব্যাংক-সংক্রান্ত তথ্য এবং প্রয়োজনীয় রাউটিং নম্বর ভুল হলে অনুদানের অর্থ পাঠানোর সময় সমস্যা হতে পারে। সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ভুল ব্যাংক তথ্যের কারণে অর্থ বাউন্স হলে পুনরায় অর্থ পাঠানোর সুযোগ থাকবে না।

সরকারি বিজ্ঞপ্তি ও প্রয়োজনীয় লিংক

এই প্রতিবেদনের তথ্য ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত সরকারি বিজ্ঞপ্তি এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের ই-চিকিৎসা অনুদান সিস্টেমের তথ্যের ভিত্তিতে সাজানো হয়েছে। আবেদন করার আগে সর্বশেষ সরকারি নির্দেশনা দেখে নেওয়া উচিত।

সরকারি বিজ্ঞপ্তি (PDF): চিকিৎসা অনুদান সংক্রান্ত সরকারি বিজ্ঞপ্তি দেখুন

অনলাইন আবেদন: ই-চিকিৎসা অনুদান সিস্টেম

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট: সরকারি ওয়েবসাইট

শেষ কথা

দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার খরচে সহায়তার জন্য এই এককালীন অনুদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যোগ্য শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত ফলাফল, পারিবারিক আর্থিক অবস্থা, দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার প্রমাণ এবং প্রয়োজনীয় নথি যাচাই করা হবে।

২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর প্রান্তের জন্য আবেদন করার শেষ সময় ৩১ অক্টোবর ২০২৬ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট। তাই শেষ মুহূর্তে সার্ভার বা কাগজপত্রের সমস্যায় না পড়ে আগে থেকেই প্রয়োজনীয় প্রত্যয়ন, চিকিৎসা সনদ ও ব্যাংক হিসাবের তথ্য প্রস্তুত করে আবেদন সম্পন্ন করা ভালো।

তথ্যসূত্র: প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের সরকারি বিজ্ঞপ্তি।

Telegram Group Join our Telegram channel
Join
SA Samim

আমি শামীম ইসলাম, Forumbd24.com এর প্রতিষ্ঠাতা। আমি একজন চাকরীজীবী। চাকুরীর পাশাপাশি forumbd24 এ লেখালিখি করি। আমি জয়পুরহাট সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি (বিজ্ঞান) নিয়ে পড়াশুনা করেছি।

Leave a Comment

HTML Snippets Powered By : XYZScripts.com