প্রিয় পাঠক,মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) আমাদের দৈনন্দিন লেনদেনকে যেমন সহজ করেছে, তেমনি ক্যাশআউট চার্জ নিয়ে আমাদের চিন্তাও কম নয়। প্রতিদিনের কেনাকাটা, বেতন পাওয়া বা ব্যবসার প্রয়োজনে ক্যাশআউট করতে গিয়ে কত টাকা অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে—তা জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশের চার প্রধান এমএফএস সেবা—বিকাশ, নগদ, রকেট এবং উপায়ের ক্যাশআউট চার্জের ধরন আলাদা। কোনটা অ্যাপে কম, কোনটা ডায়াল কোডে বেশি, আবার কোনটি ব্যাংকের এটিএম (ATM) ব্যবহারে সবচেয়ে সাশ্রয়ী! আপনার কষ্টার্জিত টাকা বাঁচাতে ২০২৬ সালের সর্বশেষ অফিশিয়াল তথ্যের ভিত্তিতে বিকাশ, নগদ, রকেট ও উপায়ের সঠিক ক্যাশআউট চার্জের একটি সহজ ও নির্ভুল তুলনা নিচে তুলে ধরা হলো।
এক নজরে সর্বশেষ ক্যাশআউট চার্জ
নিচের তুলনামূলক টেবিলটি দেখলে আপনি এক পলকেই বুঝে যাবেন কোন সেবায় অ্যাপ, ডায়াল কোড বা এটিএম ব্যবহারের চার্জ কত:
| এমএফএস সার্ভিস (Service) | ক্যাশআউট মাধ্যম (Channel) | প্রতি হাজার টাকা চার্জ (Per 1000 Taka) | বিশেষ মন্তব্য / শর্তাবলি (Special Notes) |
|---|---|---|---|
| বিকাশ (bKash) | প্রিয় এজেন্ট (অ্যাপ/USSD) | ১৪.৯০ টাকা (১.৪৯%) | মাসে সর্বোচ্চ ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত (সর্বোচ্চ ২টি প্রিয় এজেন্ট নম্বর)। |
| বিকাশ (bKash) | রেগুলার এজেন্ট (অ্যাপ/USSD) | ১৮.৫০ টাকা (১.৮৫%) | প্রিয় এজেন্ট ছাড়া বা ৫০,০০০ টাকার অতিরিক্ত লেনদেনে প্রযোজ্য। |
| বিকাশ (bKash) | ব্র্যাক ও সিটি ব্যাংক এটিএম | ১৪.৯০ টাকা (১.৪৯%) | অ্যাপ বা *247# ডায়াল করে নির্দিষ্ট এটিএম বুথ থেকে ক্যাশআউট করা যায়। |
| নগদ (Nagad) | নগদ অ্যাপ (Nagad App) | ১১.৪৮ টাকা (১.১৪৮%) | রেগুলার অ্যাকাউন্টে ভ্যাটসহ এই সাশ্রয়ী রেট প্রযোজ্য। |
| নগদ (Nagad) | USSD (*167# ডায়াল) | ১৫.০০ টাকা (১.৫০%) | বাটন ফোন বা ইউএসএসডি কোড ডায়াল করে ক্যাশআউট করলে প্রযোজ্য। |
| রকেট (Rocket) | এজেন্ট পয়েন্ট (অ্যাপ/USSD) | ১৬.৭০ টাকা (১.৬৭%) | সাধারণ রকেট গ্রাহকদের জন্য এজেন্ট পয়েন্টের অফিশিয়াল রেট। |
| রকেট (Rocket) | ডিবিবিএল ফার্স্ট ট্র্যাক / এটিএম | ৯.০০ টাকা (০.৯০%) | ডাচ-বাংলা ব্যাংকের যেকোনো এটিএম বা ফার্স্ট ট্র্যাকে সবচেয়ে কম চার্জ। |
| উপায় (Upay) | এজেন্ট পয়েন্ট (অ্যাপ/USSD) | ১৪.০০ টাকা (১.৪০%) | অ্যাপ এবং *268# ডায়াল উভয় মাধ্যমেই এজেন্ট ক্যাশআউটে সমান রেট। |
| উপায় (Upay) | ইউসিবি (UCB) এটিএম | ৮.০০ টাকা (০.৮০%) | ইউসিবি ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে অ্যাপের মাধ্যমে ক্যাশআউটে প্রযোজ্য। |
বিকাশ ক্যাশআউট চার্জ
বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল আর্থিক সেবা বিকাশ গ্রাহকদের সুবিধার্থে কয়েকটি স্তরে ক্যাশআউট চার্জ নির্ধারণ করেছে।
আরো পড়ুনঃ বিদ্যুৎ বিল অনলাইনে পরিশোধ: ঘরে বসেই নিরাপদে বিল দেওয়ার সম্পূর্ণ গাইড (২০২৬)
- প্রিয় এজেন্ট চার্জ (১৪.৯০ টাকা/হাজার): বিকাশ অ্যাপ বা *247# কোড দিয়ে গ্রাহকরা পছন্দের ২টি ‘প্রিয় এজেন্ট’ নম্বর সেট করতে পারেন। প্রিয় এজেন্ট নম্বরে মাসে ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশআউটে প্রতি হাজারে চার্জ মাত্র ১৪.৯০ টাকা (১.৪৯%)।
- রেগুলার এজেন্ট চার্জ (১৮.৫০ টাকা/হাজার): প্রিয় এজেন্ট বাদে সাধারণ যেকোনো এজেন্ট থেকে ক্যাশআউট করলে অথবা মাসে ৫০,০০০ টাকার সীমা পার হয়ে গেলে প্রতি হাজারে ১৮.৫০ টাকা (১.৮৫%) খরচ হবে।
- এটিএম ক্যাশআউট (১৪.৯০ টাকা/হাজার): আপনার বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক এবং নির্দিষ্ট কিউ-ক্যাশ (Q-Cash) এটিএম বুথ থেকে প্রতি হাজারে ১৪.৯০ টাকায় ক্যাশআউট করতে পারবেন।
- রেমিট্যান্স ক্যাশআউট: বিদেশ থেকে বিকাশ অ্যাকাউন্টে আসা রেমিট্যান্স এটিএম থেকে তোলার ক্ষেত্রে বিশেষ অফারে হাজারে মাত্র ৭ টাকা চার্জ প্রযোজ্য।
নগদ ক্যাশআউট চার্জ
ডাক বিভাগের ডিজিটাল আর্থিক সেবা নগদ তাদের শুরু থেকেই ক্যাশআউট চার্জ তুলনামূলক কম রেখে বেশ জনপ্রিয়তা কুড়িয়েছে।
- অ্যাপ দিয়ে ক্যাশআউট (১১.৪৮ টাকা/হাজার): নগদ স্মার্টফোন অ্যাপ ব্যবহার করে এজেন্ট পয়েন্ট থেকে ক্যাশআউট করলে ভ্যাটসহ হাজারে খরচ হয় মাত্র ১১.৪৮ টাকা। এটি সাধারণ এজেন্টের ক্ষেত্রে দেশের অন্যতম সেরা রেট।
- ইউএসএসডি (*167#) ক্যাশআউট (১৫.০০ টাকা/হাজার): যারা বাটন ফোন ব্যবহার করেন বা অ্যাপ ছাড়া *167# ডায়াল করে ক্যাশআউট করেন, তাদের জন্য ভ্যাটসহ চার্জ প্রতি হাজারে ১৫.০০ টাকা।
- নগদ ইসলামিক অ্যাকাউন্ট: নগদ ইসলামিক ওয়ালেটের ক্ষেত্রে অ্যাপ এবং ইউএসএসডি উভয় মাধ্যমেই প্রতি হাজারে ১৫.০০ টাকা চার্জ প্রযোজ্য হয়।
রকেট ক্যাশআউট চার্জ
ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা রকেট তাদের গ্রাহকদের দুই ধরনের ক্যাশআউট সুবিধা প্রদান করে।
- এজেন্ট পয়েন্ট থেকে ক্যাশআউট (১৬.৭০ টাকা/হাজার): রকেটের যেকোনো এজেন্ট পয়েন্ট থেকে ক্যাশআউট করলে অ্যাপ বা ইউএসএসডি ডায়াল উভয় মাধ্যমেই চার্জ প্রতি হাজারে ১৬.৭০ টাকা (১.৬৭%)।
- এটিএম / ফার্স্ট ট্র্যাক ক্যাশআউট (৯.০০ টাকা/হাজার): আপনি যদি এজেন্ট পয়েন্টে না গিয়ে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এটিএম বুথ বা ফার্স্ট ট্র্যাক ব্যবহার করেন, তবে প্রতি হাজারে খরচ পড়বে মাত্র ৯ টাকা (০.৯০%)।
- স্যালারি ও উপবৃত্তি অ্যাকাউন্ট: প্রতিষ্ঠানের বেতন বা সরকারি উপবৃত্তির রকেট অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে এটিএম ক্যাশআউট সম্পূর্ণ ফ্রি এবং এজেন্টে চার্জ মাত্র হাজারে ৯ টাকা।
উপায় ক্যাশআউট চার্জ
ইউসিবি (UCB) ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান উপায় (Upay) স্বচ্ছ ও সহজ চার্জ কাঠামোর জন্য পরিচিত।
আরো পড়ুনঃ কিভাবে e tin certificate আবেদন করবেন এবং হাতে পাবেন? বিস্তারিত নিয়ম জানুন (২০২৬ আপডেট)
- এজেন্ট পয়েন্ট ক্যাশআউট (১৪.০০ টাকা/হাজার): উপায়-এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, অ্যাপ বা *268# কোড ডায়াল—যেভাবেই এজেন্ট থেকে টাকা তুলুন না কেন, প্রতি হাজারে ক্যাশআউট চার্জ নির্ধারিত ১৪.০০ টাকা (১.৪০%)। কোনো আলাদা জটিলতা নেই।
- ইউসিবি এটিএম ক্যাশআউট (৮.০০ টাকা/হাজার): ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (UCB) এটিএম বুথ থেকে উপায়ের টাকা তুললে হাজারে মাত্র ৮ টাকা (০.৮০%) চার্জ কাটা হয়।
- রেমিট্যান্স ও স্যালারি ওয়ালেট: উপায়ে আসা বিদেশ থেকে রেমিট্যান্সের টাকা এন্ট্রি ওয়ালেট বা রেমিট্যান্স পকেট থেকে তুললে হাজারে ১০ টাকা (১%) খরচ হয়।
কোনটি সবচেয়ে সাশ্রয়ী?
কোন সার্ভিসটি আপনার জন্য সবচেয়ে সাশ্রয়ী হবে, তা নির্ভর করে আপনি টাকা তোলার জন্য মূলত কোন মাধ্যম ব্যবহার করছেন তার ওপর:
১. সাধারণ এজেন্ট পয়েন্ট ক্যাশআউটে: আপনি যদি এজেন্ট থেকে তুলনামূলক কম খরচে ক্যাশআউট করতে চান, তবে নগদ অ্যাপ (১১.৪৮ টাকা/হাজার) সবচেয়ে সাশ্রয়ী। আর যদি অ্যাপ ও ইউএসএসডি কোডে একই কম রেট চান, তবে উপায় (১৪.০০ টাকা/হাজার) চমৎকার বিকল্প।
২. এটিএম ব্যবহারের ক্ষেত্রে: আপনার আশেপাশে যদি ডাচ-বাংলা বা ইউসিবি ব্যাংকের এটিএম বুথ থাকে, তবে উপায় এটিএম (৮ টাকা/হাজার) এবং রকেট এটিএম (৯ টাকা/হাজার) এজেন্ট পয়েন্টের চেয়ে অর্ধেকেরও কম খরচে ক্যাশআউট করার সুযোগ দেয়!
৩. প্রিয় নম্বর ব্যবহারের ক্ষেত্রে: আপনি যদি নিয়মিত কয়েকটি নির্দিষ্ট এজেন্ট থেকে টাকা তোলেন, তবে বিকাশের প্রিয় এজেন্ট (১৪.৯০ টাকা/হাজার) বেশ লাভজনক–কারণ বিকাশ এজেন্টের নেটওয়ার্ক দেশের আনাচে-কানাচে বিস্তৃত।
ক্যাশআউট চার্জ কমানোর কিছু টিপস
একটু সচেতন হলেই ক্যাশআউট বাবদ আপনার অনেক টাকা বেঁচে যেতে পারে। নিচে ৫টি কাজের টিপস দেওয়া হলো:
১. ইউএসএসডি কোড না দিয়ে অ্যাপ ব্যবহার করুন: নগদ ও বিকাশের ক্ষেত্রে বাটন ফোনের কোড ডায়ালের চেয়ে স্মার্টফোন অ্যাপ দিয়ে ক্যাশআউট করলে চার্জ কম কাটে।
২. ব্যাংকের এটিএম বুথ ব্যবহার করুন: এজেন্ট পয়েন্টে না গিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের এটিএম বুথ (যেমন রকেটের জন্য DBBL, উপায়ের জন্য UCB, বিকাশের জন্য BRAC/City Bank) থেকে ক্যাশআউট করলে প্রায় ৫০% পর্যন্ত খরচ বাঁচানো সম্ভব!
৩. প্রিয় এজেন্ট সার্ভিস চালু করুন: বিকাশ ব্যবহার করলে অবশ্যই আপনার সুবিধাজনক ২টি এজেন্টকে ‘প্রিয় নম্বর’ হিসেবে যুক্ত করে নিন, এতে প্রতি হাজারে ৩.৬০ টাকা বেঁচে যাবে।
৪. প্রয়োজন ছাড়া বার বার ক্যাশআউট এড়িয়ে চলুন: সরাসরি ডিজিটাল পেমেন্ট করুন। সুপারশপ, রেস্তোরাঁ, বা অনলাইন কেনাকাটায় ক্যাশআউট না করে সরাসরি মেMerchant Payment করলে সাধারণত কোনো চার্জ কাটে না।
৫. ব্যাঙ্ক ট্রানস্ফার অপশন পরখ করুন: টাকা যদি নিজের বা পরিচিত কারও ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠাতে চান, তবে MFS থেকে Cash Out না করে direct Bank Transfer ফিচার ব্যবহার করতে পারেন, যা অনেক ক্ষেত্রে বেশি সাশ্রয়ী।
সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)
প্রশ্ন ১: ২০২৬ সালে বিকাশে ১০০০ টাকায় কত টাকা ক্যাশআউট চার্জ কাটে?
উত্তর: বিকাশ প্রিয় এজেন্টে হাজারে ১৪.৯০ টাকা এবং রেগুলার এজেন্টে ১৮.৫০ টাকা চার্জ কাটে। এটিএম থেকে তুললেও হাজারে ১৪.৯০ টাকা খরচ হয়।
প্রশ্ন ২: অ্যাপ ছাড়া ডায়াল কোড দিয়ে ক্যাশআউট করলে কোনটিতে খরচ কম?
উত্তর: অ্যাপ ছাড়া ইউএসএসডি (USSD) কোড ডায়াল করে এজেন্ট থেকে ক্যাশআউটে উপায়ের চার্জ সবচেয়ে কম (১৪.০০ টাকা/হাজার)। নগদে ১৫.০০ টাকা, রকেটে ১৬.৭০ টাকা এবং বিকাশে ১৮.৫০ টাকা (প্রিয় এজেন্ট ছাড়া) কাটে।
প্রশ্ন ৩: নগদে ১০০০ টাকা ক্যাশআউট চার্জ কত?
উত্তর: নগদ অ্যাপ থেকে ক্যাশআউট করলে ভ্যাটসহ ১০০০ টাকায় ১১.৪৮ টাকা এবং *167# ডায়াল করে করলে ১৫.০০ টাকা চার্জ কাটে।
প্রশ্ন ৪: ব্যাংক এটিএম থেকে এমএফএস ক্যাশআউট করা কি নিরাপদ?
উত্তর: হ্যাঁ, সম্পূর্ণ নিরাপদ। বিকাশ, রকেট ও উপায়-এর অ্যাপ থেকে ক্যাশআউট অপশনে গিয়ে এটিএম সিলেক্ট করে বা সিকিউরিটি টোকেন জেনারেট করে খুব সহজেই সুরক্ষিতভাবে এটিএম থেকে টাকা তোলা যায় এবং এতে খরচও কম!
প্রশ্ন ৫: বিকাশ প্রিয় এজেন্ট কীভাবে যুক্ত করতে হয়?
উত্তর: বিকাশ অ্যাপের ‘ক্যাশআউট’ অপশনে গিয়ে ‘প্রিয় এজেন্ট’ ড্যাশবোর্ড থেকে সহজেই সর্বোচ্চ ২টি এজেন্ট নম্বর যোগ করতে পারবেন। এছাড়া *247# ডায়াল করে My bKash মেনু থেকেও যোগ করা সম্ভব।
প্রশ্ন ৬: ক্যাশআউট চার্জ কি ভবিষ্যতে পরিবর্তন হতে পারে?
উত্তর: হ্যাঁ, মোবাইল আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বা বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী যেকোনো সময় ক্যাশআউট চার্জ পরিবর্তন বা নতুন প্রমোশনাল অফার আসতে পারে। তাই লেনদেনের আগে তাদের অফিশিয়াল অ্যাপ বা ওয়েবসাইট দেখে নেওয়া ভালো।
আরো পড়ুনঃ অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম ২০২৬: ই-টিকিট বুকিং গাইড
মোট কথা
পরিশেষে বলা যায়, প্রতিটি মোবাইল আর্থিক সেবারই নিজস্ব কিছু সুবিধা রয়েছে। আপনি যদি ক্যাশআউট চার্জে সর্বোচ্চ সঞ্চয় করতে চান, তবে আপনার এলাকার প্রাপ্তিসাধ্য সুবিধা বুঝে অ্যাপ অথবা এটিএম বুথ বেছে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে। আপনার নিয়মিত লেনদেনের ধরন অনুযায়ী সঠিক এমএফএস নির্বাচন করুন এবং স্মার্টলি নিজের কষ্টার্জিত টাকা বাঁচান!
তথ্যের উৎস
এই আর্টিকেলে উল্লেখিত সকল ফি ও তথ্য সংশ্লিষ্ট মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসসমূহের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে সংগৃহীত ও যাচাইকৃত:
- বিকাশ অফিশিয়াল ওয়েবসাইট: https://www.bkash.com
- নগদ অফিশিয়াল ওয়েবসাইট: https://nagad.com.bd
- রকেট অফিশিয়াল ওয়েবসাইট: https://www.dutchbanglabank.com/rocket
- উপায় অফিশিয়াল ওয়েবসাইট: https://www.upaybd.com

One Reply
[…] […]